

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো জাকাত। জাকাত সঠিকভাবে আদায়ের জন্য প্রয়োজন নিখুঁত হিসাব।
জাকাত ফরজ হওয়ার মূল শর্ত হলো, সম্পদের মালিকানা অন্তত এক চান্দ্র বছর বা ৩৫৪ দিন স্থায়ী হতে হবে। তবে বছরের মাঝে আসা নতুন সম্পদের জন্য আলাদা বছর পূর্ণ হওয়া শর্ত নয়, বছর শেষে মোট সম্পদের ওপরই জাকাত দিতে হবে।
জাকাতের নিসাব হলো- সাড়ে সাত ভরি সোনা, সাড়ে বাহান্ন ভরি রুপা অথবা এর সমমূল্যের নগদ টাকা বা ব্যবসার পণ্য। এছাড়া বিনিময়যোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা, ব্যাংক জমা, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, শেয়ার সার্টিফিকেট এবং ডিভিডেন্ডও এর অন্তর্ভুক্ত হবে। এমনকি ব্যবসার পণ্য, মূল্যবান রত্নপাথর এবং ব্যবসায়িক খামার যেমন- নার্সারি, হাঁস-মুরগি বা মাছের খামারের বর্তমান বাজারমূল্যও জাকাতযোগ্য সম্পদের আওতায় পড়বে।
যেদিন সম্পদ নিসাবে পৌঁছাবে, সেদিন থেকেই জাকাত বর্ষ শুরু হয়। প্রতি চান্দ্র বছর শেষে জাকাতযোগ্য সম্পদের আড়াই শতাংশ (২.৫%) বা ৪০ ভাগের ১ ভাগ জাকাত দিতে হয়। কিন্তু কেউ যদি সৌরবর্ষ বা ইংরেজি ক্যালেন্ডার (৩৬৫ দিন) অনুযায়ী হিসাব করতে চান, তবে তাকে ২.৫%-এর পরিবর্তে ২.৫৭৮% বা ২.৫৮% হারে জাকাত দিতে হবে।
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন- ব্যক্তিগত ব্যবহারের সম্পদ, যেমন: জমি, বাড়ি বা গাড়ি যা বিক্রির জন্য নয়, তার ওপর জাকাত নেই। তবে যেগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে, প্রতি বছর সেগুলোর বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী জাকাত দিতে হবে।
