

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা চার দিনের সরকারি ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। এতে ঢাকার সড়ক ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে গণপরিবহনের সংকট।
এদিকে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাস, রিকশা, অটোরিকশা ও সিএনজি চালিত যানবাহনে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
নির্বাচনের পূর্বে রাজধানীতে লোকাল বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা হলেও আজ কোনো বাসই ২০ টাকার নিচে যাত্রী তুলছে না। রিকশা, অটোরিকশা, সিএনজি এমনকি মোটরসাইকেলেও ইচ্ছেমতো ভাড়া হাঁকা হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও কোনো কোনো রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী যাত্রী আবুল হাসান, বিল্লাল হোসেন ও লিয়াকত আলী জানান, বাড়তি ভাড়া দিয়েও অনেক সময় যানবাহন পাওয়া যাচ্ছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারছেন না অনেকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
আব্দুল্লাহপুর–সদরঘাট রুটে চলাচলকারী ভিক্টর ক্লাসিক বাসে করে উত্তরা থেকে শাহজাদপুরে এসেছেন ষাটোর্ধ্ব বাতেন মোল্লা। তিনি বলেন, যে পথে সাধারণত ৩৫ টাকা ভাড়া লাগে, আজ সেখানে ৮০ টাকা দিতে হয়েছে।
এদিকে ব্যাংকে কর্মরত দিন ইসলাম ভোট দিতে নিজ জেলা ভোলার উদ্দেশ্যে রওনা হন। নতুন বাজার এলাকায় বাস না পেয়ে তিনি সদরঘাট যাওয়ার জন্য একটি অটোরিকশা খুঁজছিলেন। তবে সাড়ে তিনশ টাকা ভাড়াতেও কোনো চালক রাজি হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভিক্টর ক্লাসিকের একটি বাসে করে স্বাভাবিক ৩০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা দিয়ে সদরঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।
এদিকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা।
বিআইডব্লিউটিএ ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন বলেন, দুপুরের পর থেকেই যাত্রীর চাপ বেড়েছে। এখন বেশিরভাগই বরিশাল রুটের লঞ্চে যাচ্ছেন। পর্যাপ্ত বিশেষ লঞ্চের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে, যেন যাত্রীরা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।
মন্তব্য করুন