মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাক্ষী না আসায় সাহেদসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

এনপিবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
ছবি: এনপিবি নিউজ
expand

দুদকের দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে নির্ধারিত দিনে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। আদালতে কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় সময় আবেদন করা হয়। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।

আসামিদের মধ্যে কারাগারে থাকা সাহেদ করিমকে আদালতে হাজির করা হয়। এ ছাড়া জামিনে থাকা অন্য আসামিরাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে এ মামলাটি করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ছয়জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না থাকা রিজেন্ট হাসপাতালকে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ করে দেন। পাশাপাশি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে পাঠানো ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে অবৈধ পারিতোষিক গ্রহণের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মীদের খাবার খরচ বাবদ মাসে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরা এবং সমঝোতা স্মারকের খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২২ সালের ১২ জুন ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার শুরু হয়। এ পর্যন্ত মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

এজাহারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের নাম ছিল না। তবে তদন্তে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার পর তাকে অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank