

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দুপুরের অলসতায় এসি ছেড়ে সোফায় হেলান দিয়ে সিগারেটে টান দেওয়াটা অনেকের কাছে পরম সুখের হতে পারে। কিন্তু এই সাময়িক আনন্দ আপনার প্রিয় এসি এবং নিজের অজান্তেই পরিবারের সবার জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছে,
এই অভ্যাসটি যেভাবে আপনার জীবনে বড় বিপদ এনে দিতে পারে:
যন্ত্রের নীরব মৃত্যু ও পকেট ফাঁকা: বন্ধ ঘরের বাতাসই এসি বারবার টেনে নেয় ও ঠান্ডা করে। ধূমপান করলে নিকোটিনের আঠালো আস্তরণ এসির ফিল্টার ও কয়েলে জমে যায়। এই আস্তরণ চুম্বকের মতো ধুলোবালি টানে। ফলে এসি ঠান্ডা করার ক্ষমতা হারায়, কম্প্রেসরে চাপ পড়ে এবং বিদ্যুৎ বিল বাড়ে। লাখ টাকার এসি অকালেই অকেজো হয়ে পড়ে।
বিষাক্ত 'থার্ড-হ্যান্ড স্মোকিং': আপনি হয়তো ধূমপান শেষ করেছেন, কিন্তু বিষাক্ত কণাগুলো ঘরের সোফা, পর্দা আর দেয়ালে স্থায়ী বাসা বাঁধে। এসির বাতাসে ভর করে এই বিষ ঘরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘থার্ড-হ্যান্ড স্মোকিং’ বলে। কোনো রুম ফ্রেশনার এই বিষ ও ভ্যাপসা গন্ধ দূর করতে পারে না, যা শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
ঘরেই লুকিয়ে থাকা টাইম বোম: আধুনিক এসিতে ব্যবহৃত রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস (যেমন- R32 বা R290) অত্যন্ত দাহ্য। কোনো কারণে পাইপ লিক হয়ে এই গ্যাস বের হলে, লাইটার বা সিগারেটের সামান্য আগুন থেকে মুহূর্তে পুরো ঘরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
