শুক্রবার
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা–আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু, সুবিধা পাবেন যারা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ পিএম আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ছবি: সংগৃহীত
expand

ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত পৃথক দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। দুই লেনের সেতু দুটির মোট দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার। এতে টোল ছাড়াই সব ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়া বাজার ও ধউর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে ফিতা কেটে সেতু দুটির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। উদ্বোধনের পরপরই সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সার্ভিস সেতু দুটি চালু হওয়ায় ধউর থেকে আশুলিয়া অংশে স্থানীয় যানবাহনের চলাচল আরও সহজ হবে। পাশাপাশি এ পথে চলাচলকারী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের সময়ও কমবে।

কারা বেশি সুবিধা পাবেন

পুরো ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও দ্রুত হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের হিসাবে, উত্তরবঙ্গসহ দেশের প্রায় ৩০ জেলার চার কোটির বেশি মানুষ এ প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

এক্সপ্রেসওয়েটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া, বাইপাইল হয়ে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ডিইপিজেড) পর্যন্ত যোগাযোগ সহজ করবে। ফলে রাজধানী থেকে এসব এলাকায় যাতায়াতের সময় কমার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনও দ্রুত হবে।

এছাড়া রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে যানজট কমাতেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক্সপ্রেসওয়ের কাজ কতদূর

প্রকল্পটির মূল অংশে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে থাকছে ১০ দশমিক ৮৩৪ কিলোমিটার র‍্যাম্প, ১৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক এবং ৪ দশমিক ০৫ কিলোমিটার বাইপাইল ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ।

প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, এর মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক ০২ শতাংশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, একসময় প্রকল্পটির কাজ স্থবির হয়ে পড়েছিল। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও উদ্যোগের মাধ্যমে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সাড়ে তিন বছরে প্রকল্পের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের আরও একটি অংশের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পুরো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোর সঙ্গে সংযোগ আরও সহজ করবে। এতে রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank