

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ৩ দশমিক ৩১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দুটি বিকল্প সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে সেতু দুটির শুভ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মূল উড়াল সড়কের নির্মাণকাজ চলাকালীন সাভার, আশুলিয়া ও রাজধানী ঢাকার মধ্যকার নিত্যদিনের যানজট ও যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসনে এই বিকল্প সংযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেতু দুটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত রাখা হয়েছে, যেখানে পথচারীসহ সাধারণ যানবাহন অবাধে যাতায়াত করতে পারবে। তবে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সেতুতে নির্দিষ্ট উচ্চতার সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত উচ্চতার চেয়ে বড় যানবাহন এসব সেতুতে প্রবেশ করতে পারবে না।
প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ইপিজেড থেকে আশুলিয়া হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। এতে বিমানবন্দর থেকে কুড়িল, বনানী, তেজগাঁও হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি নিরবচ্ছিন্ন উড়াল সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরি হবে।
এ ছাড়া সাভার ও বাইপাইল এলাকার যানজট নিরসনে বাইপাইল মোড়ে একটি মাল্টি-লেভেল ইন্টারচেঞ্জ, বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য বিশেষ র্যাম্প এবং মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-১ স্টেশনে যাতায়াতের পৃথক সংযোগ নির্মাণ করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পের জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৫৬ দশমিক ০২ শতাংশ। দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রায় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৭,০৪৫.৬৭ কোটি টাকা।
সংশোধিত প্রকল্পে ড্রেনেজ, ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন ছাড়াও নতুন নকশায় বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও বাইপাইলে নির্মাণ করা হবে তৃতীয় তলা দৃষ্টিনন্দন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০৩০ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।



