

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব। কোরবানির পশু বিক্রির টাকা ছিনতাইয়ের ঝুঁকি এড়াতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ‘ক্যাশলেস’ বা কার্ডের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের পরামর্শ দিয়েছেন র্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ।
রোববার (২৪ মে) ঢাকার গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
র্যাব ডিজি বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে জনসমাগম তুলনামূলক কমে যায়। এ সুযোগে পশু ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে ছিনতাইয়ের ঝুঁকি বাড়ে। বিষয়টি মাথায় রেখে র্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
তিনি জানান, পশুর হাট ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা চৌকির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি করা হচ্ছে।
আহসান হাবীব পলাশ বলেন, পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি কমাতে সবাইকে ক্যাশলেস বা কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কোরবানির পশুবাহী যানবাহনকে জোরপূর্বক কোনো নির্দিষ্ট হাটে নিতে বাধ্য করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও র্যাব নজরদারি করছে। নিরাপদে গবাদিপশু হাটে পৌঁছাতে র্যাবের ব্যাটালিয়নগুলো নিজ নিজ এলাকায় রোবাস্ট পেট্রোলিং পরিচালনা করছে।
জাল টাকা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে উল্লেখ করে র্যাব ডিজি বলেন, জাল টাকা উৎপাদনকারী ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ছাড়া ঈদ ও কোরবানিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে র্যাবের নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে র্যাব মহাপরিচালক গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি যাত্রী ও বাস কাউন্টারের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। পরিদর্শনকালে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাস মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।