মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী উদ্যোক্তাকে মারধর: মামলার পর ৩ যুবক গ্রেপ্তার

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand

রাজবাড়ী শহরের বড় বাজারে নারী উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানাকে পুলিশের উপস্থিতিতে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে জাকিয়া সুলতানা বাদী হয়ে মামলা করার পর মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-রাজবাড়ী পৌরসভার ধুঞ্চি ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জমজম খানের ছেলে আব্দুল্লাহ আল সিয়াম খান (১৯), একই ওয়ার্ডের ধুঞ্চি ২৮ কলোনি এলাকার মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রুবেল হোসেন (১৯) এবং পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধুঞ্চি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন (৩৮)।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তার ও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ।

পুলিশ জানায়, নারী উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানা সোমবার দিবাগত রাতে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলাটি করেন। এতে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জাকিয়া সুলতানা রাজবাড়ী বড় বাজারের কাদেরিয়া সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় ‘আস্থা পোশাক শিল্প গার্মেন্টেস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। তার প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর বেতন ও মালামালের হিসাব নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২৩ আগস্ট ওই কর্মচারী ১৫ থেকে ২০ জন লোক নিয়ে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বেতন দাবি করেন এবং তাকে হুমকি দেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, নারী উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানা থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এর আগে গত শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে রাজবাড়ী শহরের বড় বাজারে জাকিয়া সুলতানাকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাজবাড়ী সদর থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে ওই নারীকে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে এক যুবক এসে তাকে লাথি মারছেন। পরে আরও কয়েকজন যুবক এগিয়ে এসে তাকে মারধর ও লাথি দিতে থাকেন।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। একই সঙ্গে ঘটনাটি সম্পর্কে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্যও ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ জাকিয়া সুলতানাকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উল্লেখ করেন। আবার কেউ ঘটনাটিকে ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত অভিযানের সময়ের ঘটনা বলে দাবি করেন। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব তথ্য সঠিক নয়।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank