মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ইটভাটায় মিলল সার, ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের বিক্ষোভ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার নিয়ে নাটকীয়তা যেন শেষ হচ্ছে না। গত পহেলা সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার একটি ইটভাটা থেকে ১৬ বস্তা ইউরিয়াসহ ২৩ বস্তা সার উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে সার সংকটের অভিযোগ তুলে সারের দাবিতে ফের শোরগোল শুরু করেন স্থানীয় কৃষকেরা।

সারের দাবিতে সোনাহাট ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সোনাহাট স্থলবন্দর সড়কে জড়ো হয়ে অবরোধের চেষ্টা করেন বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা। এতে কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

অবরোধের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাইকে পর্যাপ্ত সার সরবরাহের বিষয়টি কৃষকদের জানান। তিনি কৃষকদের লাইনে দাঁড়িয়ে সার কেনার অনুরোধ করেন। এ সময় পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

সার নিতে আসা কৃষকরা জানিয়েছেন, সকালে ডিলার পয়েন্ট থেকে সার বিক্রি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হতে দেরি হচ্ছিল। এর মধ্যে অনেক কৃষক ডিলার পয়েন্টে এসে অপেক্ষা করতে থাকেন। একপর্যায়ে সার সংকটের আশঙ্কায় তারা সড়কে দাঁড়িয়ে শোরগোল শুরু করেন। এতে স্থলবন্দরগামী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ইউএনও, পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডিলার পয়েন্ট থেকে সুষ্ঠুভাবে সার বিক্রির ব্যবস্থা করেন।

সারের জন্য ডিলার পয়েন্টে আসা কৃষকেরা বলেন, 'সারের জন্য আসছি। কিন্তু যে পরিস্থিতি, তাতে মনে হচ্ছে সার পাওয়া যাইবো না। কয়েকদিন ধরে ঘুরেও সার পাইতাছি না।'

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও অমৃত দেব নাথ বলেন, 'আজ সোনাহাট কলেজ মোড় পয়েন্টে সার বিতরণের কথা ছিল না। কিন্তু কৃষকেরা ওই ডিলার পয়েন্টে এসে সারের জন্য অপেক্ষা করেন। তারা লাইনে না দাঁড়িয়ে একসঙ্গে হুড়োহুড়ি করে সার নেওয়ার চেষ্টা করেন। সড়ক ব্লক করার চেষ্টা করেন। এতে কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। বর্তমানে সুষ্ঠুভাবে সার বিক্রি চলছে।'

ইউএনও আরো বলেন, 'উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সারের সরবরাহ রয়েছে। কৃষকদের উৎকণ্ঠিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাবেন।'

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank