

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী ছাত্রীকেও থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাগেশ্বরী থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা হয়েছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিকেলে আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ রামখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিরতির সময় বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী টয়লেট থেকে বের হওয়ার সময় দরজা খোলা মাত্র সহকারি শিক্ষক আব্দুল মোতালেব টয়লেটে ঢুকে ছাত্রীকে টেনে ভিতরে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালায়। এসময় ওই ছাত্রী জোরে চিৎকার দিয়ে দৌড়ে বাইরে গিয়ে বিষয়টি সবাইকে জানায়। ছুটির পর বাড়ি ফিরে বিষয়টি জানালে তারা থানায় অভিযোগ করতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর ইসলাম ও স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষক কাজী মোশাররফ হোসেন বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলেন।
খবর পেয়ে একাধিক গণমাধ্যমকর্মী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাড়িতে যেতে দেয়নি প্রধান শিক্ষক নুর ইসলাম ও কাজী মোশাররফ হোসেন। ছাত্রীর বাবা-মা কারও সাথে কথা বলবেন না বলেও জানান তারা।
রাতেই বিষয়টি কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপারকে জানানো হলে তার নির্দেশে রাত দেড়টার দিকে নাগেশ্বরী থানার ওসি এনামুল হক প্রধান টিম সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে শিক্ষক মোতালেবকে আটক করে। ছাত্রীসহ তার বাবা-মাকে থানায় নিয়ে আসে। মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন ছাত্রীর বাবা।
শিক্ষর্থীর বাবা জানান, এর আগে প্রায় মাস তিনেক আগে ওই ছাত্রীকে কু-নজর তাকায় ওই শিক্ষক। পরে বিষয়টি তার মাকে জানালে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে জানানো হয়। তখন কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এবার সুষ্ঠু বিচার চাই আমি।
এ ঘটনায় রাতে প্রধান শিক্ষক নুর ইসলাম বলেন, আমি এটার সর্বোচ্চ বিচার চাই। রাতে তো হবেনা। কাল এটার বিচার হবে।
নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক প্রধান বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ভিকটিম আমাদের হেফাজতে রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোতালেবকে বিকেলে আদালতে তোলা হবে।



