

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মাত্র ১২০ টাকা ফি জমা দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যশোর জেলা থেকে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৫২ জন মেধাবী প্রার্থী। রবিবার (২৪ মে) দিনব্যাপী লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে এ নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সকাল ৯টায় যশোর পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার ও ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। বিকাল ৪টায় চূড়ান্তভাবে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৫২ জনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নিয়োগ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে যশোর পুলিশ লাইন্সে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা চাকরি প্রত্যাশী তরুণ-তরুণী ও তাদের স্বজনদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে। তবে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল একটি বার্তা, “টাকা নয়, মেধাই যোগ্যতার একমাত্র মাপকাঠি।”
ফলাফল ঘোষণার পর উপস্থিত প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “নিয়োগের প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ যারা প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা সবাই নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও পরিশ্রমের ভিত্তিতেই সফল হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ এখন আর তদবির বা আর্থিক লেনদেনের বিষয় নয়। সঠিক প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস থাকলে যে কেউ নিজের যোগ্যতায় সফল হতে পারে। এসময় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি যারা এবার সফল হতে পারেননি তাদের ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নিয়োগ কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্য, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা।
যশোরে পুলিশের এই নিয়োগ কার্যক্রমকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক অভিভাবক বলেন, অল্প খরচে এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চাকরি পাওয়ার সুযোগ তরুণদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।